বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে আমানতকারীদের বিক্ষোভ, টাকা ফেরতের দাবিতে অবস্থান
বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ করেছেন ভুক্তভোগী আমানতকারীরা। শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংকের গ্রাহকরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ ভুক্তভোগী ব্যাংক আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে এই অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। এতে অংশ নেওয়া গ্রাহকরা তাদের আমানতের টাকা ফেরতের দাবিতে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন।
আমানতকারীদের অভিযোগ, ব্যাংকগুলো তাদের জমা টাকা দিয়ে বিনিয়োগ করলেও তা সঠিকভাবে যাচাই করা হয়নি। বরং কিছু পরিচালক ও কর্মকর্তার যোগসাজশে ঋণের নামে অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে। তারা বলেন, এই দায় আমানতকারীদের নয় এবং লুটপাটের টাকা উদ্ধার বা সম্পদ বিক্রির মাধ্যমে দ্রুত আমানত ফেরত দিতে হবে।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দুটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন— সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের ওপর আরোপিত ‘হেয়ার কাট’ প্রত্যাহার এবং ব্যাংকিং লেনদেন স্বাভাবিক করা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র ও পরিচালক মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী জানান, শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করা হয়েছে, যা গত ডিসেম্বর থেকে কার্যক্রম শুরু করেছে। আমানতকারীদের টাকা ফেরতের জন্য একটি বিশেষ স্কিম চালু রয়েছে।
এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, ব্যাংকটির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং অতীতে অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করে।





































